Holidays designed to suit your style, budget, and interests
Discover hidden gems beyond the usual tourist spots.
A dedicated team ensuring comfort, safety, and memorable journeys.
এক সকালে শহরের কোলাহল পেছনে ফেলে আমরা রওনা দিলাম পুবালির সঙ্গে। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ পেরিয়ে পৌঁছে গেলাম সুখের দেশ ভুটানে। প্রার্থনার পতাকা বাতাসে উড়ছে, মঠের ঘণ্টাধ্বনি মনকে শান্ত করছে, আর তুষারঢাকা শৃঙ্গ যেন নতুন স্বপ্নের আহ্বান জানাচ্ছে। থিম্পুর প্রাণচাঞ্চল্য, পারোর অপার সৌন্দর্য আর দোচুলা পাসের মেঘছোঁয়া দৃশ্য আমাদের ভ্রমণকে করে তুলল স্মরণীয়। প্রতিটি মুহূর্তে ছিল আন্তরিক আতিথেয়তা, নিরাপদ যাত্রা আর একসঙ্গে নতুন স্মৃতি গড়ার আনন্দ। চলুন, এবার আপনিও পুবালির সঙ্গে ভুটানের পথে—যেখানে প্রতিটি পথ খুলে দেয় নতুন গল্পের দুয়ার।
…
বছরের শেষ সূর্য যখন ধীরে ধীরে নেমে আসে বঙ্গোপসাগরের বুকে, তখন মন চায় একটু অন্যরকমভাবে বিদায় জানাতে পুরনো দিনগুলোকে। শহরের ব্যস্ততা, ক্লান্তি আর একঘেয়ে জীবনের বাইরে কোথাও, যেখানে সমুদ্রের ঢেউ আর জঙ্গলের নীরবতা মিলেমিশে এক নতুন গল্প রচনা করে।
সেই গল্পের নাম—পুবালির সঙ্গে দুবলাগড়ি ও সিমলিপাল।
ভাবুন তো…
৩১শে ডিসেম্বরের সন্ধ্যা। দুবলাগড়ির নির্জন সমুদ্রসৈকতে আগুন জ্বলছে ক্যাম্পফায়ারে। চারদিকে হাসি, গান, নাচ আর আনন্দে মেতে উঠেছেন পুবালি পরিবারের সকল ভ্রমণসঙ্গী। শিশু থেকে প্রবীণ—সবার মুখে একটাই হাসি। আকাশ ভরে উঠেছে তারার আলোয়, আর সমুদ্রের ঢেউ যেন বলছে—
“বিদায় ২০২৬… স্বাগতম ২০২৭!”
ছোটবেলায় বাবার সাথে সোনার কেল্লা সিনেমা দেখার পর থেকে রাজস্থান দেখার এক অমোঘ ইচ্ছা মনের মধ্যে লালন করে রেখেছিলাম \ তারপর ভ্রমণ ম্যানেজারের কর্মজীবনের সূত্রে বার সাতেক রাজস্থান গিয়েছি । পাঠ্যবইয়ে পড়া ইতিহাসের চরিত্রগুলোর শহরে এসে প্রিয় চরিত্র রাণাপ্রতাপের জন্মস্থান কুম্ভলগড় দুর্গে এসে বাকরহিত হয়ে যাই । রাণাপ্রতাপ ,উদয় সিংহ ,ধাত্রী পান্নাদের বীরত্বের কথা শুনে রোমকূপ খাড়া হয়ে ওঠে । রক্ত তলাই হলদিঘাটের যুদ্ধের রণক্ষেত্রে এসে হাকিম খান সুরের মতো চরিত্র গুলোকে চোখ বুজলেই যেন দেখতে পাই —–কানে যেন শুনতে পাই অশ্বের হ্রেস্বাধ্বনি ,অস্ত্রের ঝলকানি ,হাজার হাজার সৈনিকের আর্তনাদ ,রক্ত স্রোতে তৈরি হওয়া নদী ——পরতে পরতে ইতিহাসের মলাটে ঢাকা রানাদের এই শহরে পূবালী এবারের পুজোয় রাজস্থান যাচ্ছে । সোনার কেল্লারর শহরে মুকুলের ঘর ,বিকালের হেলে পড়া সূর্যের আলোয় জটুয়ের মতো উটের পিঠে সওয়ার হতে চাইলে সঙ্গী হোন —রাণার শহর আপনার অপেক্ষায় —-মুঠোফোনে ৯০০৭৬৬৮৩৭০–৯৮৩১৭৩৫৩৭৩–
কাশ্মীর—নামটি উচ্চারণ করলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বরফে ঢাকা পাহাড়, সবুজ উপত্যকা, নীল আকাশ আর বয়ে চলা স্বচ্ছ নদীর ছবি। প্রকৃতি যেন এখানে নিজের হাতে এঁকেছে এক অপূর্ব ক্যানভাস। আর সেই সৌন্দর্যকে কাছ থেকে দেখার আকাঙ্ক্ষা প্রতিটি ভ্রমণপ্রেমীর হৃদয়ে কোনও না কোনও সময়ে জন্ম নেয়।
পুবালির সঙ্গে কাশ্মীর যাত্রা তাই শুধুই একটি ভ্রমণ নয়, এটি স্মৃতি তৈরির এক বিশেষ আয়োজন। গুলমার্গের বরফের রাজ্য, বিখ্যাত গন্ডোলা রাইড, শ্রীনগরের মনমুগ্ধকর ডাল লেক, রঙিন টিউলিপ গার্ডেন, পাহেলগামের লিডার নদীর কলকল ধ্বনি—প্রতিটি স্থান আপনাকে প্রকৃতির এক নতুন রূপের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে।
কাশ্মীরের সৌন্দর্য শুধু তার পাহাড়ে নয়, তার মানুষের আন্তরিকতায়, উপত্যকার শান্তিতে এবং প্রতিটি মুহূর্তের অনুভবে। কখনও বরফের নরম চাদরে পা রেখে, কখনও নদীর ধারে দাঁড়িয়ে, আবার কখনও পাহাড়ের নীরবতার মধ্যে—নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার সুযোগ মেলে এখানে।
আমাদের বিশ্বাস, একটি সুন্দর ভ্রমণ মানে শুধু গন্তব্যে পৌঁছনো নয়; বরং পথের প্রতিটি মুহূর্তকে আনন্দ, নিরাপত্তা ও ভালোবাসায় স্মরণীয় করে তোলা। সেই বিশ্বাস নিয়েই পুবালি আপনাকে আহ্বান জানায়—চলুন, পাহাড়, বরফ আর ভালোবাসার গল্প লিখি একসঙ্গে।
পুবালির সঙ্গে কাশ্মীর—স্বপ্নের ভ্রমণ হোক জীবনের সুন্দর স্মৃতি।
নবান্ন! এ যেন ঠিক ধোঁয়া ওঠা গরম ভাতের উৎসব–
শহরের কোলাহল ছেড়ে যদি প্রকৃতির নির্মল স্পর্শ খুঁজে নিতে চান, তবে সারান্ডা ও কিরিবুরু আপনার জন্য এক অনন্য গন্তব্য। এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শালবনের বিস্তীর্ণ সবুজ, পাহাড়ের আঁকাবাঁকা পথ, মেঘের ছোঁয়ায় মোড়া উপত্যকা আর অগণিত ঝরনা মিলিয়ে এই অঞ্চল যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব শিল্পকর্ম। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের রঙিন আবেশ, বনভূমির নীরবতা এবং স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতির আন্তরিকতা প্রতিটি মুহূর্তকে করে তোলে স্মরণীয়। শরতের নির্মল আকাশ ও দুর্গাপুজোর ছুটিতে সারান্ডা–কিরিবুরু ভ্রমণ মানেই নতুন উদ্দীপনা, অফুরন্ত সবুজ আর মনভরানো অভিজ্ঞতার এক অনবদ্য মেলবন্ধন। প্রকৃতিপ্রেমী, আলোকচিত্রী কিংবা শান্তির খোঁজে থাকা যে কোনও ভ্রমণপিপাসুর জন্য এই সফর হয়ে উঠবে আজীবনের এক অমূল্য স্মৃতি। এবার পুবালির সঙ্গে বেরিয়ে পড়ুন সারান্ডা–কিরিবুরুর সবুজ স্বর্গ আবিষ্কারের পথে।
এক ভোরে পুবালির হাত ধরে শুরু হলো আমাদের স্বপ্নের সফর। নারকেল গাছে ঘেরা পথ, সবুজ চা-বাগান, মুন্নারের কুয়াশা আর আলেপ্পির শান্ত ব্যাকওয়াটারে ভেসে চলা হাউসবোট—প্রতিটি মুহূর্ত যেন ছবির মতো সুন্দর। কোভালামের নীল সমুদ্র, কথাকলির রঙিন আবহ আর কেরালার আন্তরিক আতিথেয়তা মন ভরে দিল আনন্দে। এই ভ্রমণ শুধু গন্তব্যে পৌঁছানোর নয়, বরং প্রকৃতি, সংস্কৃতি আর স্মৃতির এক অপূর্ব মিলন। চলুন, এবার আপনিও পুবালির সঙ্গে কেরালার পথে—যেখানে প্রতিটি সফর হয়ে ওঠে জীবনের এক সুন্দর গল্প।
ভারতের আধ্যাত্মিকতার তিন অনন্য কেন্দ্র বারাণসী, অযোধ্যা ও প্রয়াগরাজ। গঙ্গার তীরে প্রাচীন কাশীর ঘাট, বিশ্বনাথ মন্দির ও মনোমুগ্ধকর গঙ্গা আরতি ভক্তদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়। অযোধ্যায় শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দির, হনুমানগড়ি ও সরযূ নদীর পবিত্র পরিবেশ এক অপার শান্তির অনুভূতি দেয়। অন্যদিকে প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গম—গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতীর মিলনস্থল—ভারতীয় ধর্ম ও সংস্কৃতির এক মহিমান্বিত প্রতীক। ইতিহাস, বিশ্বাস, ভক্তি ও আধ্যাত্মিকতার অপূর্ব মেলবন্ধনে এই তিন পবিত্র শহরের সফর হয়ে উঠতে পারে জীবনের এক স্মরণীয় ও আত্মিক অভিজ্ঞতা।
প্রিয় ভ্রমণপিপাসু বন্ধু,
বাঙালির মন আর পুরী—এই সম্পর্ক যেন বহু দিনের ভালোবাসা, স্মৃতি আর টানের এক অদৃশ্য বন্ধন। ছোটবেলার প্রথম সমুদ্র দেখা, ভোরের ঢেউয়ের গর্জন, মহাপ্রভু জগন্নাথের দর্শন, স্বর্গদ্বীপের বালুকাবেলায় পায়ের ছাপ, সন্ধ্যার ঝিনুক কুড়োনো আর সমুদ্রের হাওয়ায় ভেসে বেড়ানো—এসবই যেন আমাদের জীবনের অমূল্য স্মৃতি।
এই নস্টালজিয়াকে আবার নতুন করে ছুঁয়ে দেখতে, আসুন পুবালি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস-এর সঙ্গে। পরিবার, বন্ধু কিংবা প্রিয়জনকে নিয়ে কাটিয়ে আসুন কয়েকটি নির্ভার দিন। থাকুক ভক্তির আবেশ, সমুদ্রের অপরূপ সৌন্দর্য, সুস্বাদু ওড়িয়া খাবারের স্বাদ আর একসঙ্গে কাটানো অসংখ্য আনন্দময় মুহূর্ত।
পুরী শুধু একটি ভ্রমণ নয়, এটি বাঙালির আবেগ, ভালোবাসা আর চিরন্তন টান। সেই টানকে আরও একবার হৃদয়ে ধারণ করতে চলুন, হাত ধরুন পুবালির।
আসুন, পুবালির সঙ্গে উদযাপন করি আমাদের প্রিয় পুরী—স্মৃতির পুরী, ভালোবাসার পুরী, বাঙালির চিরন্তন পুরী।
সস্নেহে,
পুবালি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস
মেঘের দেশে হাত ধরে
চলবো দুজনে স্বপ্ন মেখে
রিশপের সকালে সূর্য হাসে
কাঞ্চনজঙ্ঘা স্বপ্ন আঁকে
চায়ের কাপ আর ঠান্ডা হাওয়া
তোমাকে শুধু কাছে পাওয়া
শহর থেকে দূরে গিয়ে
অপার খুশিতে ভাসবো দোহে—
Rishop-এর মেঘেদের মাঝে আপনার আপন ঠিকানা—–সবুজ পাহাড়, নীল আকাশ আর মেঘ ছোঁয়া মুহূর্তে হারিয়ে যেতে চাইলে,
শান্তি আর প্রকৃতির ছোঁয়া পেতে বেরিয়ে পড়ুন পুজোয়
ভ্রমণ হোক স্মৃতিময়, থাকার ঠিকানা হোক রিশপ তিনচুলে সিটং আহালদারা
ভারতের মানচিত্রে এমন এক ত্রিভুজ আছে, যেখানে প্রতিটি পথ যেন একটি গল্প বলে। আগ্রা শেখায় ভালোবাসার অমর স্মৃতি, মথুরা শোনায় শ্রীকৃষ্ণের জন্মলীলার মহিমা, আর বৃন্দাবন ভাসিয়ে নিয়ে যায় রাধা-কৃষ্ণের অপার্থিব প্রেম ও ভক্তির সুরে।
ভোরের প্রথম আলোয় তাজমহলের শুভ্র সৌন্দর্য চোখে পড়তেই মনে হয়—প্রেম কখনও মুছে যায় না। এরপর মথুরার জনমভূমিতে দাঁড়িয়ে উপলব্ধি হয় ঈশ্বরের আবির্ভাবের অলৌকিকতা। আর সন্ধ্যায় বৃন্দাবনের প্রেম মন্দির, বাঁকে বিহারীজির আরতি কিংবা ইস্কনের কীর্তনের ঢেউ মনে এক অদ্ভুত শান্তি এনে দেয়। এখানে প্রতিটি ঘণ্টাধ্বনি, প্রতিটি গলি, প্রতিটি কদমগাছ যেন কৃষ্ণনামের সুরে মুখর।
এই ত্রিভুজ ভ্রমণ শুধু দর্শন নয়; এটি হৃদয়ের এক পবিত্র পরিক্রমা—যেখানে ইতিহাস, প্রেম ও আধ্যাত্মিকতা একসঙ্গে হাত ধরে চলে।
এসে চলুন পুবালি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস-এর সঙ্গে। ইতিহাসের বিস্ময়, ভক্তির আবেশ আর ভালোবাসার অমলিন স্মৃতিকে এক সফরে বেঁধে তৈরি হোক আপনার জীবনের আরেকটি অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
ভোরের নরম আলোয় শুরু হয়েছিল আমাদের পুবালির সঙ্গে এক অনন্য যাত্রা। গন্তব্য—রাজগীর, নালন্দা ও বুদ্ধগয়া। ইতিহাস, ধর্ম আর প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধনে ভরা এই সফর যেন শুধু ভ্রমণ নয়, ছিল আত্মার এক গভীর অনুভব।
প্রথমেই রাজগীর—সবুজ পাহাড়ে ঘেরা প্রাচীন মগধের রাজধানী। বিশ্বশান্তি স্তূপের শান্ত পরিবেশ, পাহাড়ের বুক চিরে ওঠা পথ আর প্রাচীন ইতিহাস আমাদের মুগ্ধ করল। মনে হচ্ছিল, প্রতিটি পাথর যেন অতীতের কোনো গল্প শোনাতে চায়।
এরপর নালন্দা। প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাকেন্দ্রের ধ্বংসাবশেষের সামনে দাঁড়িয়ে মনে হলো, জ্ঞানের আলো কখনও সত্যিই নিভে যায় না। বিশাল বিহার, ইটের প্রাচীর আর শতাব্দী পেরিয়ে আসা ইতিহাস আজও নীরবে কথা বলে।
সবশেষে বুদ্ধগয়া—মহাত্মা বুদ্ধের বোধিলাভের পবিত্র ভূমি। মহাবোধি মন্দিরের শান্ত পরিবেশে এসে মন যেন এক অদ্ভুত প্রশান্তিতে ভরে উঠল। বোধিবৃক্ষের ছায়ায় দাঁড়িয়ে মনে হলো, জীবনের সব ব্যস্ততা, ক্লান্তি আর অশান্তি দূরে মিলিয়ে গেছে।
রাজগীরের প্রকৃতি, নালন্দার জ্ঞান আর বুদ্ধগয়ার শান্তি—পুবালির সঙ্গে এই ভ্রমণ হয়ে উঠুক জীবনের এক স্মরণীয় গল্প।
পুবালির সঙ্গে শিলং – গুয়াহাটি – কাজিরাঙা: মেঘ, পাহাড় আর বন্যপ্রকৃতির অনন্য সফর
ভ্রমণ মানেই শুধু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে যাওয়া নয়; ভ্রমণ মানে প্রকৃতির সঙ্গে হৃদয়ের এক নিবিড় আলাপ। সেই অনুভূতিকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে পুবালি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস নিয়ে এসেছে শিলং – গুয়াহাটি – কাজিরাঙা-র এক অপূর্ব সফর।
গুয়াহাটির পবিত্র মা কামাখ্যা মন্দিরের আশীর্বাদে যাত্রা শুরু করে উমিয়াম লেকের নীল জলে হারিয়ে যাওয়া, শিলংয়ের সবুজ পাহাড়, চেরাপুঞ্জির মেঘে মোড়া জলপ্রপাত, ডাউকির স্বচ্ছ নদী ও মাওলিনংয়ের পরিচ্ছন্ন গ্রামের সৌন্দর্য—প্রতিটি মুহূর্ত যেন প্রকৃতির একেকটি জীবন্ত ক্যানভাস। এরপর অপেক্ষা করছে ইউনেস্কো স্বীকৃত কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানে এক রোমাঞ্চকর জিপ সাফারি, যেখানে একশৃঙ্গ গণ্ডার, হাতি ও বন্যপ্রাণীর সঙ্গে হবে এক অবিস্মরণীয় সাক্ষাৎ।
৩০ বছরের অভিজ্ঞতায় পুবালি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস শুধুমাত্র একটি ভ্রমণ সংস্থা নয়, বরং আপনার বিশ্বাসের সহযাত্রী। আরামদায়ক আবাসন, সুপরিকল্পিত ভ্রমণসূচি এবং আন্তরিক আতিথেয়তার মাধ্যমে আমরা প্রতিটি সফরকে করে তুলি আনন্দময় ও নিশ্চিন্ত।
চলুন, এই শরতে মেঘের দেশে, পাহাড়ের কোলে আর অরণ্যের আহ্বানে সাড়া দিই—পুবালির হাত ধরে।
Editorial: Three Decades of Trust, Countless Journeys
For the past 30 years, Pubali Tours & Travels has remained committed to one simple belief—travel is not just about reaching a destination; it is about creating lifelong memories. Built on dedication, honesty, and personalized service, Pubali has earned the trust of thousands of travelers by delivering safe, comfortable, and memorable journeys across India and beyond.
Every tour reflects meticulous planning, warm hospitality, and a passion for showcasing the beauty of diverse destinations. From the mountains to the sea, from heritage sites to hidden gems, Pubali continues to inspire people to explore with confidence.
As we celebrate three decades of excellence, our promise remains unchanged: to serve every traveler with sincerity, professionalism, and care. Thank you for being a part of our remarkable journey. Together, let us continue discovering new horizons and creating unforgettable travel experiences for many more years to come.